২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯
২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯,
#২১শে_ফেব্রুয়ারি
#অমর_একুশ
(সমন্বয়ক, মিডিয়া ও জনসংযোগ, ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগ)
আজ জাতিসংঘের স্বীকৃতিতে শ্রদ্ধার সাথে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। অনেক ত্যাগ তিতীক্ষায় অর্জিত এই দিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ১৯৫২ সালে ভাষাকে রক্ষার তাগিদে তৎকালীন সরকারদলীয় বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণে প্রাণদান করেন বাংলার সালাম-শফিক-রফিক-বরকতেরা।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা ঘটলো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর, ইউনেস্কোর ত্রিশতম সাধারন অধিবেশনে। কানাডার বহুভাষিক ও বহুজাতিক মাতৃভাষা প্রেমিকগোষ্ঠীর বছরব্যাপী আবেদনের সূত্র ধরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে, এবং আইভরি কোস্ট, ইতালি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, কমোরোস, ডোমিনিকান রিপাবলিক, পাকিস্তান, ওমান, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপিন, বাহামাস, বেনিন, বেলারুশ, গাম্বিয়া, ভারত, ভানুয়াতু, মাইক্রোনেসিয়া, রুশ ফেডারেশন, লিথুয়ানিয়া, মিসর, শ্রীলংকা, সিরিয়া ও হন্ডুরাস এর সমর্থনে জাতিগত মাতৃভাষা ও ঐতিহ্য রক্ষার প্রয়োজন অনুভব করে সেদিন জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছিলো বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গৌরব ও চেতনা সমৃদ্ধ এই দিনটিকে। বাংলা ভাষা ও বাংলা ভাষাভাষীদের বিশ্বজয়ের সাথেই হলো পৃথিবীর সকল মাতৃভাষার বিজয়লাভ।
যে ভাষার জন্য প্রাণ দিলো দেশের উদ্যমী ছাত্র জনতা, তাদের স্মরণ করে শুধু এ দিনের পটভূমি তুলে ধরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেই হবে না। বরং বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষা সমৃদ্ধির জন্য নতুন প্রজন্মকে দিতে হবে অমোঘ নির্দেশনা। ভাষার সমৃদ্ধিতে স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদেরই লিখতে হবে; মাতৃভাষায় লিখতে হবে রম্য রচনা, গল্প, ছড়া, কবিতা, নাটক কিংবা বাবাকে লিখা সেই চিঠি। শুদ্ধ বানান ও শব্দের সুষম চয়নের সমৃদ্ধির ব্যাপকতাই পারে তাদের এ ত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন করতে।
জাতিসংঘ যুব ও ছাত্র সংঘ বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব), রাজশাহী বিভাগীয় শাখার পক্ষ থেকে বাংলার ভাষা শহীদদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা এবং বাংলার সকল ভাষাভাষীদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সঠিক ভাষা চর্চার রক্তিম আহবান।
#অমর_একুশ
(সমন্বয়ক, মিডিয়া ও জনসংযোগ, ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগ)

No comments
আপনার মূল্যবান মতামত রাখতে পারেন, You can leave your valued comments here...